
নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা
প্রকাশিত: ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে চাওয়ায় সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) সাবিনা আক্তার তুহিনের মুখ চেপে ধরেছেন এক নারী পুলিশ সদস্য। আজ সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের রেবতী মেনশনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার প্রেক্ষাপট
রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় অভিযুক্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে আজ অভিযোগ গঠনের দিন ধার্য ছিল। এই মামলার অন্যতম আসামি সাবিনা আক্তার তুহিনসহ ৩০ জন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। শুনানির জন্য দুপুর ২টার দিকে কড়া নিরাপত্তায় তাদের মাথায় হেলমেট ও বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরিয়ে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এ হাজির করা হয়।
মুখ চেপে ধরার ঘটনা
আদালতের কার্যক্রম শেষে দুপুর ২টা ১৮ মিনিটের দিকে আসামিদের মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এ সময় সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকদের দেখে কথা বলতে উদ্যত হন সাবিনা আক্তার তুহিন। তিনি মুখ খোলামাত্রই পাশে থাকা এক নারী পুলিশ সদস্য তার মুখ সজোরে চেপে ধরেন এবং কথা বলতে বাধা প্রদান করেন। ওই অবস্থাতেই তাকে দ্রুত হাজতখানার ভেতরে নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে তাকে প্রিজনভ্যানে করে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার বিবরণ
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২৭ মার্চ সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার মো. এনামুল হক শেখ হাসিনাসহ ৭৩ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে এই মামলাটি দায়ের করেন। তদন্ত শেষে গত ৩০ জুলাই ২৮৬ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
মামলার উল্লেখযোগ্য দিকসমূহ:
- অভিযোগ: ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ড. রাব্বী আলমের নেতৃত্বে একটি জুম মিটিং অনুষ্ঠিত হয়।
- মূল অভিযোগ: ওই মিটিংয়ে শেখ হাসিনা বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে উৎখাতের নির্দেশ দেন এবং দেশবিরোধী বক্তব্য প্রদান করেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।
- বর্তমান অবস্থা: আজ মূল বিচারক ছুটিতে থাকায় ভারপ্রাপ্ত বিচারক রবিউল ইসলাম পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২ মার্চ দিন ধার্য করেছেন।









