
ফাঁদের প্রতিধ্বনি
অন্যের পথে ফাঁদ পেতে যে হাসে নিঃশব্দ রাতে,
সে কি জানে নিজের ছায়া লুকায় তারই সাথে?
চালাকি আর চাতুরীতে গড়ে তোলে জাল,
অদৃশ্য সেই সুতো গেঁথে বাঁধে নিজের কাল।
মিথ্যার রঙে ঢেকে রেখে সত্যকে দেয় ঢাল,
ভাবছে বুঝি জিতে গেছে, পেরিয়েছে সব জাল।
কিন্তু নিয়তির অদৃশ্য হাত রাখে হিসেব খাতা,
একদিন ঠিক ফিরিয়ে দেয় প্রতিটি পাপের ব্যথা।
অন্যের জন্য খোঁড়া গর্ত গভীর অন্ধকার,
নিজের পায়ের নিচেই তা হয়ে ওঠে ভার।
যে আগুনে পোড়াতে চায় অন্য কারো ঘর,
সেই আগুনেই পুড়ে যায় নিজের ভেতর পর।
হিংসা যদি হৃদয়ে রাখো, বিষের মতো ঢেউ,
সে বিষ একদিন নিজেকেই গ্রাস করবে- দেখো ঢেউ।
ভাগ্যের চাকা ঘুরে ঘুরে দেয় অদ্ভুত দান,
অন্যায়ের সেই পথ শেষে ডেকে আনে ক্ষয়মান।
তাই বলি শোনো, মানুষ যদি হও সত্যিকার,
অন্যের ক্ষতি চাইবে না- এটাই জীবনের ভার।
কারণ ফাঁদ পাতা সহজ, কিন্তু বাঁচা কঠিন,
নিজেরই ফাঁদে পড়া তখন হয় সবচেয়ে দুঃসহ দিন।









