গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কাশিমপুর থানাধীন দক্ষিণ কাশিমপুর এলাকা থেকে মেহেদী হাসান জনি (৩০) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) দুপুরে মহানগরীর দক্ষিণ কাশিমপুর এলাকায় মৃত হারু হাজীর বাসা থেকে এই মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত মেহেদী হাসান জনি রংপুর জেলার হারাগাছ থানার সাত মাথা গাইশালা মোড় এলাকার মৃত হারুন-অর-রশিদের ছেলে। তিনি ওই বাসায় ভাড়া থেকে কখনো বাসের হেলপার, আবার কখনো তৈরি পোশাক কারখানায় (গার্মেন্টস) সাব-কন্ট্রাকে কাজ করতেন।
যেভাবে উদ্ধার হলো মরদেহ
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতের কোনো এক সময় ঘরের আড়ার সাথে গলায় গামছা পেঁচিয়ে জনি আত্মহত্যা করেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে বাড়ির মালিকের নাতি রিপন ভাড়ার টাকা চাইতে জনির রুমে যান। ভেতর থেকে দরজা বন্ধ দেখে তিনি ফিরে আসেন।
কিছুক্ষণ পর আবারও এসে ডাকাডাকি করলে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে রিপন প্রতিবেশীদের খবর দেন। পরে পাশের কক্ষের সিলিং দিয়ে উঁকি দিয়ে দেখা যায়, জনির দেহ ঘরের আড়ার সাথে ঝুলছে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কাশিমপুর থানা পুলিশ।
পুলিশের বক্তব্য
গাজীপুর মেট্রোপলিটন কাশিমপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মঞ্জরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান:
”খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করি। মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।”
এই ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা ও আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।









